চটি
আমি তখন কলেজে পড়ি। একটা ঘটনা আমার জীবনের মোর ঘুরিয়ে দিল। আমরা ডেটিং করতে গেলে সুমন আমাকে নাানন রকম প্রেজেন্ট দিত। সুমন আমাকে বেশ কয়েকবারে তিন/চারটা ম্যাকের লিপস্টিক, দুটা ১০০ এমল-র পারফিউম আর বেশ কয়েক সেট থাইল্যান্ডের ইরোটিক ব্রা আর প্যান্টি সেট উপহার দিয়েছিল। সব রকম বিলাসি জিনিষপত্র বাসায় নিষিদ্ধ ছিল। বাসায় আমার কোন ওয়ারড্রোব ছিল না। তবে ব্যাক্তিগত জিনিষ রাখবার জন্য এটা স্টিলের ট্র্যাঙ্ক ছিল। আমি সুমনের এই সব উপহার আমার বিছানার নীচে ট্র্যাঙ্কে রাখতাম। একবার বাশারের সাথে ডেটিং যাবার সময়ে লিপস্টিক লাগিয়ে ভুলে নিপস্টিকটা আমার টেবিলে ফেলে গিয়েছিলাম। লিপস্টিকটা মা’র নজরে আসে। উনি পাশের বাড়ির আন্টির কাছ থেকে জেনে নিয়েছিলেন যে ঐ ম্যাকের একটা লিপস্টিকের দাম তিন হাজার টাকা। মা সন্দেহের বশবর্তী হয়ে আমার ট্র্যাঙ্ক খুলে আমার সব বিলাসি বিশেষ করে ইরোটিক ব্রা আর প্যান্টি সেট দেখে, ও গুলো সব বাজেয়াপ্ত করেন আর সেই সাথে আমার কলেজে পড়াও বন্ধ হয়ে যায়। সারাদিন বাসায় কিছুই করার নেই। তাই পড়ার জন্য বই খুজতে যেয়ে দেখি বাসায় সব বই-ই ধর্মীয় বই। আর কিছু না পেয়ে ওগুলই পড়া শুরু করি। আমি পরিবর্তীত হয়ে সম্পূর্ণভাবে ধার্মীক হয়ে উঠলাম। আমার বিয়ের জন্য বাবা তার চট্টগ্রামের পীর সাহেবের স্মরণাপন্ন হন। পীর সাহেব উনার চট্টগ্রামের এক শিল্পপতী মুরীদের ছোট ছেলের সাথে আমার বিয়ে ঠিক করেন। ঐ শিল্পপতী যথেষ্ট ধার্মীক হলেও বাবার মত গোড়া ছিলেন না। ছেলেদের ব্যাক্তিগত জীবনে হস্তাক্ষেপ করতেন না। এক সাথে থাকলেও বাবা মা থাকতেন এক ফ্লোরে আর ছেলেরা থাকত আর এক ফ্লোরে। কথায় বলে প্রদীপের নীচেই অন্ধকার। বড় ছেলে জামালের বৌ সাবিলা বিয়ের আগে ছিল চড়ম উশৃঙ্ক্ষল। ক্লাব পার্টিতে যেয়ে উদ্দাম নাচের পর কারো না কারো সাথে বিছানায় যেত। মেজছেলে কামাল দীর্ঘ প্রেমের পর বান্ধবী রুবিনাকে বিয়ে করেছিল। সাবিলা খুব তাড়াতাড়ি তার মেজ দেবর কামালের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে।৷৷
10 months ago